শৈলকুপায় নির্বাচনী সহিংসতায় নৌকার সমর্থক নিহত ১আহত ১৫

39

শৈলকুপায় নির্বাচনী সহিংসতায় নৌকার
সমর্থক নিহত ১আহত ১৫

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ি বাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় নির্বাচনী সহিংসতায় হারান মন্ডল নামে নৌকার এক সমর্থক খুন হয়েছে। তাকে উপর্যপরী কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি কিত্তিনগর আবাসনের আলীমুদ্দীন মন্ডলের ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নের ভাটবাড়িয়া গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক শফিুকের বাড়িতে রহস্যজনক আগুন লাগে। এ নিয়ে শুক্রবার দিন ব্যাপী নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। বিকাল থেকে দুই পক্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া যায়। রাতে আওয়ামলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর সমর্থকরা কাতলাগাড়ি বাজারে নৌকার অফিসে বসে থাকা সমর্থকদের উপর আকস্মিক হামলা চালায়। এ সময় শৈলকুপার কিত্তিনগর আবাসনের বাসিন্দা হারান মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত হারান ওই আবাসনের আলীমুদ্দীন মন্ডলের ছেলে। নৌকার প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন এ ঘটনার জন্য বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, হামলায় ইয়ারোদ্দিন, আব্দুল লতিফ, রজব আলী ও রবিউলসহ ১৫/২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় হারান নামের তার এক সমর্থককে কুপয়ে হত্যা করা হয়। শৈলকুপা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী সহিংসতায় একজন মারা গেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধী যেই হোক কোন ছাড় পাবে না বলে তিনি জানান।

বিদায় বছরে ঝিনাইদহে ৩ খুন

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
খুনোখুনি, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে বিদায় নিয়েছে ২০২১ সালে। বিদায়ী বছরের শেষ দিন শুক্রবার ঝিনাইদহে খুন হয়েছে ৩ জন। এরমধ্যে শৈলকুপায় আওয়ামলীগের দলীয় কোন্দল ও নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছেন দুইজন। বাকী একজন মারা গেছেন মহেশপুরের বাজিপোতা গ্রামে। এ রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে শৈলকুপার সারুটিয়া ও ফুলহরি ইউনিয়নে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আহতদের মধ্যে অনেকই আশংকা জনক বলে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পুলিশ ও গ্রামবাসি সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নের ভাটবাড়িয়া গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক শফিুকের বাড়িতে রহস্যজনক আগুন লাগে। এ নিয়ে শুক্রবার দিন ব্যাপী নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। বিকাল থেকে দুই পক্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া যায়। রাতে আওয়ামলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর সমর্থকরা কাতলাগাড়ি বাজারে নৌকার সমর্থকদের উপর আকস্মিক হামলা চালায়। এ সময় শৈলকুপার কিত্তিনগর আবাসনের বাসিন্দা হারান মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত হারান ওই আবাসনের আলীমুদ্দীন মন্ডলের ছেলে। নৌকার প্রার্থী মামুন এ ঘটনার জন্য বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুকে দায়ী করেছেন। হামলায় অনন্তত ১৫ জন আহত হন। এদিকে শুক্রবার ভোরে ১৭ ডিসেম্বর শৈলকুপা শহরের হাসপাতাল এলাকায় আওয়ামলীগের মেয়র গ্রæপের হামলায় আহত হন স্বপন শেখ (৩৫) মারা যান। ওই দিন রাব্বি নামে আরেক যুবলীগ কর্মী আহত হয়েছিলেন। আহতরা আ’লীগের ইকু শিকদার গ্রæপের সমর্থক। এই হামলায় আহত স্বপন শেখ ১৪ দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ বিশ^বিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। নিহত যুবলীগ কর্মী স্বপন শেখ পেশায় পরিবহন শ্রমিক। তিনি শৈলকুপার কবিরপুর গ্রামের মৃত আহম্মদ শেখের ছেলে। এদিকে জেলার মহেশপুরে ইনানুর রহমান (৪০) নামের এক চা দোকানির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার পৌরসভা এলাকার কুলতলা বাজার থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ইনানুর রহমান উপজেলার বাজিপোতা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই আজানুর কে আটক করেছে পুলিশ। মহেশপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মিন্টু হোসেন জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে। আটক নিহত’র বড় ভাই আজানুর রহমান হত্যার দায় স্বীকারে স্বীকার করেছেন। পুলিশের কাছে তিনি বলেছেন মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও গলায় ফাঁস দিয়ে ছোট ভাইকে হত্যা করা হয়। এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, শৈলকুপায় দুই সপ্তাহ আগে আহত এক ব্যক্তি মারা গেছেন চিকিৎসাধীন অবস্থায়। আর শুক্রবার রাতে নির্বাচনী সহিংসতায় হানার মন্ডল নামে আরেক জন মারা যাওয়ার খবর শুনেছি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here