হবিবর রহমান দেড়যুগ ধরে সততা-নিষ্ঠার সাথে কুলবাড়িয়া বাজারের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি আধুনিক মানের বাজার গড়তে চান

348

হবিবর রহমান দেড়যুগ ধরে সততা-নিষ্ঠার সাথে কুলবাড়িয়া বাজারের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি আধুনিক মানের বাজার গড়তে চান

মাহবুব মোরশেদ শাহিন, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার চৌমহনী খ্যাত কুলবাড়িয়া বাজার। বাজারটির চতুরপাশ ঘিরে পাকা সড়ক যোগাযোগ সহজলভ্য হওয়ায় এলাকাটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাজারটির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মাত্র ২২ কিলোমিটার দূরে ঝিনাইদহ জেলা শহর। এছাড়া উত্তর দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে কুষ্টিয়া জেলা শহর, পূর্বে ১৩ কিলোমিটার দূরে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমে ১৮ কিলোমিটার দূরে আলমডাঙ্গা এবং দক্ষিন পশ্চিম কোনে ৩৫ কিলোমিটার দূরে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর অবস্থিত। বাজারটি কৃষি প্রধান অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় বাজার সংলগ্ম এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত বিভিন্ন পন্য সহজেই বেচাকেনা করা যায়। বৃটিশ আমলে বারের হাট নাম নিয়ে হাঁটিহাঁটি পাপা করে চলে এসে আজকের ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে কুলবাড়িয়া বাজার নাম ধারন করে।

বাজারটিতে ব্যবসায়ীসহ ক্রেতা বিক্রেতাদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি বাজার কমিটি রয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ দেড়যুগ ধরে সুনাম সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন অধূনালুপ্ত হরিনাকুন্ডু সদর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বর হবিবর রহমান। প্রায় ৬০ বছর বয়সী এই প্রবীন ব্যক্তির ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা রয়েছে তিন দশক কালের। কেসি কলেজে অধ্যয়নকাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত তিনি। ব্যবসায়ী জীবনের পাশাপাশি সমাজ সেবার লক্ষ্যে ক্লীন ইমেজের রাজনীতেও রয়েছে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ। দশ বছরের অধিককাল ধরে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন।

শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি হিসেবে নিজ গ্রাম কুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পার্শ্ববর্তী হরিনাকুন্ডু প্রিয়নাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং আন্দুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি’র সন্মানিত মেম্বর হিসেবে এলাকার শিক্ষা বিস্তারে অবদান রাখছেন তিনি। এছাড়া নিজ এলাকার রাস্তা, কালভার্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে রয়েছে তার বিশেষ ভূমিকা।

বাজার উন্নয়নে তিনি কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় গোটা বাজারের আধুনিকায়নের লক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা ও এলইডি লাইট স্থাপন, নৈশ প্রহরীর মাধ্যমে রাতভর পাহারা প্রদান করার সাথে সাথে চাঁদনী ঘর নির্মান, স্বাস্থ্য সম্মত সেনিটেশন ব্যবস্থা এবং ড্রেন নির্মান সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। মানষ্যে হাটের পাশাপাশি পানের হাট সম্প্রসারিত ভাবে গড়ে তোলা, পাটসহ সকল প্রকার ভূষি মালের ক্রয় বিক্রয় চালু করন, ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মধ্যে মহিলা চত্বর গড়ার কথাও উল্লেখ করেন। সেই সাথে বাজারে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান। ইতোমধ্যে বাজার জামে মসজিদটি নান্দনিক ভাবে নির্মাণ সম্পন্ব হয়েছে।

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়াবহতা রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউন কালে বাজারের অর্ধশত প্রান্তিক ব্যবসায়ীকে খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে বিভিন্ন প্রকার মানবিক সহায়তা প্রদান করে এক বিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আগামীতে এলাকাবাসির আন্তরিক সহযেগিতা এবং বাজারে কর্মরত ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে একটি আধুনিক মানের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ব্যবসায়িক জোন হিসেবে বাজারটি গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন বলে বাজার কমিটির অভিজ্ঞ সভাপতি হবিবর রহমান দৃঢ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here