ঝিনাইদহে সদর ৬ নং গান্না ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা, ভোগান্তিতে শত শত মানুষ

490

ঝিনাইদহে সদর ৬ নং গান্না ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা, ভোগান্তিতে শত শত মানুষ
তরিকুল ইসলাম তারেক:
একবিংশ শতাব্দীর এই অত্যাধুনিক যুগেও ঝিনাইদহ সদর ৬ নং গান্না ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের উত্তরপাড়া রাস্তা বেহাল অবস্থা। পাকা রাস্তা না থাকায় জন বসতির শুরু থেকে অদ্যবধি মাটির রস্তায় চলাচল করছেন তারা। মেরামতের অভাবে তাও এখন চলাচল অযোগ্য। মেরামত করে চলাচল যোগ্য করে তোলার প্রত্যাশা স্থানীয়দের। দীর্ঘ দিনেও রাস্তা উন্নয়ন করা হয়নি। যার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই কাঁদা মাটিতে একাকার হয়ে যায় মাটির রাস্তা। এ কারণে ভোগান্তিতে রয়েছে ওই ইউনিয়নের শত শত মানুষের। সরজমিন ঘুরে দেখাগেছে, ঝিনাইদহ সদর ৬ নং গান্না ইউয়িনের চন্ডিপুর থেকে গ্রামের উত্তরপাড়া পর্যন্ত সব অংশ টুকো কাচাঁ। প্রধান রাস্তা থেকে প্রায় ২কিলোমিটার রাস্তাটি সংস্কার হয় না। এখন ওই সব গ্রামবাসীর জন্য গলার কাঁটা হযে দাঁডড়িয়েছে। চলাচলে পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ। পথচারীদের থমকে পড়ছে শত শত মানুষের জীবন যাত্রা। এমন দুরবস্থার জন্য অতিরিক্ত কাঁদা আর পানির কারনে কোন যানবাহন তো দুরের কথা জুতা পায়ে হাটতে অসম্ভব ব্যাপার। মনে হয় যেন রাস্তা নয় চাষের জন্য প্রস্তুত কোন জমি। বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় হাঁটু সমান কাদাঁ মাড়িয়ে চলাচল করে ওই সব গ্রামের হাজারো মানুষ। হাতে জুতা পানি-কাঁদা মাখা শরীরে চলে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। দীর্ঘ কয়েক যুগ আগে নির্মিত এই মাটির রাস্তা কখনো পুর্নসংস্কার হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থাণীয়রা জানান, শুকনো মৌসুমে ধুলা আর হালকা বৃষ্টি হলেই কাঁদা এটাই আমাদের জীবন। রাস্তা বেহাল দশার কারণে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চরম কষ্টে করে প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। এমন কি নামাজ আদায় করতে মসজিদেও যেতে পারছে না মুসল্লিরা। এ যেন ভোগান্তির শেষ নেই। গ্রামের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয় না। দীর্ঘ দিনের এ ভোগান্তি নিরসনে এলাকাবাসী দাবী জানিয়েছে সমস্যার সমাধানে উদাসীন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এমন দাবী ভূক্তোভোগী মানুষের। ভোটের সময় অনেক জনপ্রতিনিধিরা এ এলাকার দুঃখ দুর্দশা লাঘবে সড়ক নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিলেও কখনোই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। স্থানীয়রা দ্রুত রাস্তাটি পাঁকা করনে এলজিইড এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যে ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here