ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বেড়েই চলেছে মানুষের মধ্যে অসচেতনতা

144

বেড়েই চলেছে মানুষের মধ্যে অসচেতনতা

উবাইদু্র খান, ঝিনাইদহ,

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিন আজ। কোটচাঁদপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সাথে সাথে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

কিন্তু মানুষের ভিতরে যেভাবে সচেতনতা দরকার ছিল। সেইভাবে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।আজ সকালে বাজারে ও দোকানে বিভিন্ন জায়গাতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের ভিড়। মুখে নেই অধিকাংশ মানুষের মাক্স।

লকডাউনে পরিবহন বাস দূর পাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে । কিন্তু থেমে নেই মালবাহী ট্রাক ইজিবাইক ভ্যান রিকশা ও মোটরসাইকেল।কেউ প্রয়োজনে কেউবা অপ্রয়োজনে চলাচল করছে। কাঁচা কাঁচামালের আড়োটে ট্রাক ভর্তি করার সময় দেখা গিয়েছে মানুষের ভিড়। নাই কারোর মুখে মাক্স ও সামাজিক দূরত্ব।

লকডাউন কঠোর করার জন্য নামানো হয়েছে পুলিশের সেনাবাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য বাহিনী। কিন্তু সেভাবে পুলিশ বা সেনাবাহিনী দেরকে বাজারে লক্ষ্য করা যায়নি।

জয়নাল আবেদীন বলেন ,”লকডাউনে আমাদের উচিত প্রয়োজন ছাড়া ঘরের ভেতরে অবস্থান করা। স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে।এই ভাবে মানুষ চলতে থাকলে । মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাস ক্রমেই বাড়তে থাকবে এজন্য আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। সেজন্য আমাদের উচিত মাস্ক ব্যবহার করা। কিছু কিছু পর পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও দুই হাত ২০সেকেন্ড ধরে ধোঁয়া।
করোনার প্রাদুর্ভাব যেভাবে বাড়ছে সচেতনতা কোন বিকল্প নেই মাক্স হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। বেশি বেশি বাড়িতে থাকার অভ্যাস করতে হবে”

সকালে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে মোটরসাইকেল ইজিবাইক ও রিকশা মালবাহী ট্রাক । যেহেতু পরিবহন ও বাস বন্ধ তাই যাত্রীরা মোটরসাইকেল ইজিবাইক ও রিকশা এবং ভ্যানে ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

ভ্যান চালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,”কেঁদে কেঁদে বলছেন আমরা দিনে যা আয় করি তা কোন রকম আমার সংসার চলে আমি যদি একদিন ভ্যান না চালায় তাহলে আমার পরিবারের সদস্যরা না খেয়ে থাকতে হবে। সেজন্য লকডাউন কে অপেক্ষা করে আমরা জীবন আশঙ্কায় রেখে ভ্যান চালিয়ে সংসারটা কোন রকম চালায়। আমার পরিবারের সদস্যসংখ্যা চারজন। যার ভিতরে দুই জন অসুস্থ। তাদের ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে পারি না
আমরাও তো চাই লকডাউনে বাড়ির ভিতরে অবস্থান করতে কিন্তু কি করব। আমার চাওয়া
হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ তিনি যেন আমাদেরকে কিছু অনুদান দেন যাতে করে আমরা এই লকডাউনে বাড়িতে থেকেও আমাদের সংসার চালাতে পারি”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,”
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে মানুষ। কোটচাঁদপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে মানুষ ।মানুষের ভিতরে কোন ধরনের সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না এভাবে চলতে থাকলে মানুষের জীবন আশংকায় চলে আসবে”

কোটচাঁদপুরে মানুষের অসচেতনতা বেড়ে চলেছে। সকলেই মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি রাখা দরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here