কোটচাঁদপুরে দিন দিন মানুষের মধ্যে অসচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

43

কোটচাঁদপুরে দিন দিন মানুষের মধ্যে অসচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

উবাইদু্র খান, ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন আজ। কোটচাঁদপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সাথে সাথে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

কিন্তু মানুষের ভিতরে যেভাবে সচেতনতা দরকার ছিল। সেইভাবে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।আজ সকালে বাজারে ও দোকানে বিভিন্ন জায়গাতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের ভিড়। মুখে নেই অধিকাংশ মানুষের মাক্স।

লকডাউনে পরিবহন বাস দূর পাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে । কিন্তু থেমে নেই ইজিবাইক ভ্যান রিকশা ও মোটরসাইকেল।কেউ প্রয়োজনে কেউবা অপ্রয়োজনে চলাচল করছে। বিশেষ করে আজ মোটরসাইকেল চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার কারণে অনেকেই গন্তব্যে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করছেন মোটরসাইকেল।

লকডাউন কঠোর করার জন্য নামানো হয়েছে পুলিশের সেনাবাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য বাহিনী।

মোঃ সাদ সাদমান খান বলেন ,”লকডাউনে আমাদের উচিত প্রয়োজন ছাড়া ঘরের ভেতরে অবস্থান করা। স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে।এই ভাবে মানুষ চলতে থাকলে । মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাস ক্রমেই বাড়তে থাকবে এজন্য আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। সেজন্য আমাদের উচিত মাস্ক ব্যবহার করা। কিছু কিছু পর পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও দুই হাত ২০সেকেন্ড ধরে ধোঁয়া।
করোনার প্রাদুর্ভাব যেভাবে বাড়ছে সচেতনতা কোন বিকল্প নেই মাক্স হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। বেশি বেশি বাড়িতে থাকার অভ্যাস করতে হবে”

সকালে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে মোটরসাইকেল ইজিবাইক ও রিকশা। ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার আগেই লকডাউন হওয়ার কারণে যেহেতু গনপরিবহন ও বাস বন্ধ তাই যাত্রীরা মোটরসাইকেল ইজিবাইক ও রিকশা এবং ভ্যানে ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

ইজিবাইক চালক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন,”কেঁদে কেঁদে বলছেন আমরা দিনে যা আয় করি তা কোন রকম আমার সংসার চলে আমি যদি একদিন ইজিবাইক না চালায় তাহলে আমার পরিবারের সদস্যরা না খেয়ে থাকতে হবে। সেজন্য লকডাউন কে অপেক্ষা করে আমরা জীবন আশঙ্কায় রেখে ইজিবাইক চালিয়ে সংসারটা কোন রকম চালায়। আমার পরিবারের সদস্যসংখ্যা চারজন। যার ভিতরে দুই জন অসুস্থ। তাদের ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে পারি না
আমরাও তো চাই লকডাউনে বাড়ির ভিতরে অবস্থান করতে কিন্তু কি করব। আমার চাওয়া
হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ তিনি যেন আমাদেরকে কিছু অনুদান দেন যাতে করে আমরা এই লকডাউনে বাড়িতে থেকেও আমাদের সংসার চালাতে পারি”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,”
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে মানুষ। কোটচাঁদপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে মানুষ”

সকাল থেকে কড়া নজরদারি করছেন। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী। শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে তহল দিচ্ছি পুলিশ ও সেনাবাহিনী। মানুষের প্রয়োজন গুলো শুনছেন উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারলে তাদেরকে ছেড়ে দিচ্ছেন। যারা উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারছে না তাদেরকে করা হচ্ছে জরিমানা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here