কোটচাঁদপুরে মানুষের মধ্যে সচেতনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

67

কোটচাঁদপুরে মানুষের মধ্যে সচেতনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

উবাইদু্র খান, কোটচাঁদপুর ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন আজ। কোটচাঁদপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সাথে সাথে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

কিন্তু মানুষের ভিতরে যেভাবে সচেতনতা দরকার ছিল। সেইভাবে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।আজ সকালে বাজারে ও দোকানে বিভিন্ন জায়গাতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের ভিড়। মুখে নেই অধিকাংশ মানুষের মাক্স।

লকডাউনে পরিবহন বাস দূর পাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে । কিন্তু থেমে নেই ইজিবাইক ভ্যান রিকশা ও মোটরসাইকেল।কেউ প্রয়োজনে কেউবা অপ্রয়োজনে চলাচল করছে।

লকডাউন কঠোর করার জন্য নামানো হয়েছে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী।

শারাফাত হোসেন বলেন ,”লকডাউনে আমাদের উচিত প্রয়োজন ছাড়া ঘরের ভেতরে অবস্থান করা। স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চললে।এই ভাবে মানুষ চলতে থাকলে । মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাস ক্রমেই বাড়তে থাকবে এজন্য আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। সেজন্য আমাদের উচিত মাস্ক ব্যবহার করা। কিছু কিছু পর পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও দুই হাত ২০সেকেন্ড ধরে ধোঁয়া।
করোনার প্রাদুর্ভাব যেভাবে বাড়ছে সচেতনতা কোন বিকল্প নেই মাক্স হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। বেশি বেশি বাড়িতে থাকার অভ্যাস করতে হবে”

সকালে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে ইজিবাইক ও রিকশা। ঈদুল আজহার পর লকডাউন হওয়ার কারণে যেহেতু গনপরিবহন ও বাস বন্ধ তাই যাত্রীরা ইজিবাইক ও রিকশা এবং ভ্যানে ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

রিকশা চালক মোঃ আঃ তাহের বলেন,”আমরা দিনে যা আয় করি তা কোন রকম আমার সংসার চলে আমি যদি একদিন রিকশা না চালায় তাহলে আমার পরিবারের সদস্যরা না খেয়ে থাকতে হবে। সেজন্য লকডাউন কে অপেক্ষা করে আমরা জীবন আশঙ্কায় রেখে রিকশা চালিয়ে সংসারটা কোন রকম চালায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ তিনি যেন আমাদেরকে কিছু অনুদান দেন যাতে করে আমরা এই লকডাউনে বাড়িতে থেকেও আমাদের সংসার চালাতে পারি”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,”
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে মানুষ। কোটচাঁদপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে মানুষ”

তবে দুপুর থেকে কড়া নজরদারি করছেন। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী। শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে তহল দিচ্ছি পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here