ঝিনাইদহে টেন্ডার ছাড়াই সরকারী গাছের লিচু যাচ্ছে কোথায়?

47

ঝিনাইদহে টেন্ডার ছাড়াই সরকারী গাছের লিচু যাচ্ছে কোথায়?

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি –
ঝিনাইদহের সদর উপজেলার ১৭ নং নলডাঙ্গা কালীকা দোয়ার পূর্ব সংলগ্ন স্থান হইতে সরকারী টেন্ডার ছাড়াই চলছে লিচু ভাঙ্গা অভিযান। বুধবার (৫মে’২১)বিকাল ৪টার দিকে ঝিনাইদহ ভূমি অফিসের নাজির ও স্থানীয় ভূমি অফিসের নায়েব এর উপস্থিতে এ লিচু ভাঙ্গা হয়।
সরকারি টেন্ডার ছাড়াই সরকারি লিচু যাচ্ছে কোথায়? হবে কী টেন্ডার? না হবে পেটস্থ? এমন নানা প্রশ্ন জনমনে।

নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কালীকা দোয়াটি ৯, একর ৯শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘ সময় ধরে এই স্থানটি নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এই কালীকা দোয়ার পূর্ব পাশ্বের কোল ঘেষে প্রয়াত নলডাঙ্গা সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের সাধারন সম্পাদক মৃতঃঅতুল অধিকারীর ১০৬ টি গাছের সমন্ময়ে লিচু বাগান। দোয়ার কোল ঘেষে ৪ শতক জমির উপর ১৩টি গাছ যাহা সরকারি দোয়া সম্পত্তির ভিতরে।
প্রয়াত অতুল অধিকারীর ভাই প্রশান্ত অধিকারী ও ছেলে পঙ্কজ অধিকারী বলেন,আমরা হিন্দু মানুষ বলে আমাদের সাথে অন্যায় করা হচ্ছে। সন্তানের মতলিচু বাগান পরিচর্যা করে যাচ্ছি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আমাদেরও লিচুর অধিকার আছে। টেন্ডারের নামে বস্তাবন্দি করে এভাবে লিচু কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? গত কাল মঙ্গবারও বিভাগীয় কমিশনারের নাম করে ৬০০টি লিচু নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ কেমন টেন্ডার? বিগত ইউএনও আমাদের কাছ থেকে রাজস্ব বাবদ ১০হাজার টাকা নিয়েছিল তার কোন রশিদ আজও আমরা পাইনি।
ঝিনাইদহ ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার মোঃ আইনাল হক জানান,এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশে আমি সরকারি লিচু ভাঙতে এসেছি সরকারি টেন্ডার হবে অফিসে। গাছ লাগানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেনি। তিনি আরো বলেন বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবগত আছেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন বলেন,এসিল্যান্ড স্যার অর্ডার দিয়েছে আমি শুধুমাত্র অর্ডার পালন করতে এসেছি।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর এসিল্যাড আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন,যাদের লিচু গাছ তারা লিচু খাবে? কোন টেন্ডার হবে কীনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আপনাকে জানাচ্ছি।বিষয়টি
স্থানীয়দের সাথে কথা বললে তারা জানান এটি অমানবিক। গাছ পরিচর্যাকারীরাএকটি অংশ পেতে পারে।স্থানীয় অধিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here