মিঠাপুকুরের ধর্ষন মামলা ধামাচাপা দিয়ে মিমাংসায় তৎপর ঢাকার এক নেতা

135

জাহিদুল হক বাবু,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রংপুরের মিঠাপুকুর থানাধীন খোড়াগাছ উত্তরপাড়া গ্রামের এক নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষন করে একই গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলে মোরশেদ। ঘটনাটি গত নভেম্বরের। এরপর মেয়ের বাবা শাপলা মিয়া মিঠাপুকুর থানায় একটি ধর্ষন মামলা করেন। এরই মধ্যে ঢাকার এক নেতার সহযোগিতায় ছেলে মোরশেদ হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং গোপালগঞ্জের ওই নেতার প্রশাসনিক কুটনৈতিক বুদ্ধিতে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে মিমাংসা করা চেষ্টা চলছে এবং দুই একদিনের মধ্যে এ নিয়ে একটি গোপন বৈঠক হওয়ার কথা আছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
আমাদের অনুসন্ধানী টিম উক্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে জানতে পেরেছেন আরও অনেক কিছু।
এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মুকুল মিয়ার ছেলের প্রলোভনে পড়ে একই গ্রামের দরিদ্র পিয়াজু বিক্রেতা শাপলা মিয়ার ১২ বছর বয়সী মেয়ে শিলা মনি প্রেমে পড়ে। সম্পর্ক চলতে গভীরতায় চলে যায়, এরই প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের নভেম্বরের ১৭ তারিখে ধর্ষক মোরশেদ প্রেমিকা শিলা মনিকে দেখা করতে বলে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। মেয়ে বাসায় এসে বাবা মাকে জানালে তার দরিদ্র পিতা শাপলা মিয়া বাদী হয়ে মোরশেদ আলীর নামে ধর্ষন মামলা করেন। মামলা নং এরপরে আসামী ২৯, ১৭/১১/২০২০। বাড়ি ছেড়ে দেয় এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে মামলা তুলে নিতে বলে। দরিদ্র শাপলা মিয়া শুধু তার মেয়ের বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। এরই ভিতরে ঢাকার এক বড় নেতাকে টাকা পয়সা দিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হাইকোর্ট এর জামিন নিয়ে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং লোকমুখে শুনা যাচ্ছে গোপালগঞ্জে বাড়ী ওই নেতা স্থানীয় রংপুরের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একটি একতরফা মিমাংসা করার চেষ্টা চালাচ্ছে। দরিদ্র পিতা শাপলা মিয়া কি করবে কোন কিছু উপায় অন্তর পাচ্ছে না বলে আমাদের অনুসন্ধানী টিমকে জানান। এ ব্যাপারে মিঠাপুকুর থানার ওসির সাথে কথা বললে উনি বলেন যে, মিমাংসার ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা তবে বাদী বিবাদী চাইলে মিমাংসা হতে পারে। মিঠাপুকুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্কেল এসপি কামরুজ্জামান বলেন, মিমাংসার ব্যাপারে শুনেছি কিন্তু আমি চাই ধর্ষক উপযুক্ত শাস্তি পাক। তবে রংপুরের পুলিশ সুপারকে কল করলেও উনি কল ধরেন নি বলে উনার মতামত নেয়া সম্ভব হয় নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here